এরপর বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে যান। তাদের অনেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। মোনাজাত করেন।
জিয়া উদ্যানে আসা মানুষদের মধ্যে অনেকেই ঢাকার বাইরে থেকেও এসেছেন। বিএনপির রাজনীতি করেন না তবু খালেদা জিয়ার টানে কবরের মাটি ছুঁয়ে দেখতে এসেছিলেন মুন্সিগঞ্জের ফাতেমা শারমিন। পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সভাপতি জাহিরুল ইসলামও এসেছিলেন খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে।
বেলা ১১টা পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায়,জিয়া উদ্যানের ভেতরে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সামনের সড়কেও চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সেখানে কর্মরত পুলিশ সদস্য নজরুল বলেন, কড়া নির্দেশনা থাকায় কাউকে উদ্যানে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
বেলা ১১টার পর থেকে জিয়া উদ্যানের সামনের সড়কে যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হয়। দুপুর ১২টার পরে প্রবেশমুখ খুলে দিলে বিএনপির নেতা কর্মী ও সাধারণ মানুষ খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করতে যান। যারা এসেছেন তাদের মধ্যে নারী ছিলেন বেশি।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন খালেদা জিয়া। বুধবার খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। খালেদা জিয়ার জানাজায় দলমত-নির্বিশেষে অগণিত মানুষ যোগ দেন। জানাজা শেষে জিয়া উদ্যানে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়।