
স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেট এখন অনেকটাই নিরব। মাইকের শব্দ নেই, নেই মিছিল কিংবা জনসভা। তাই বলে থেমে নেই নির্বাচনী প্রচারণা। চলছে এখন ঘরে ঘরে বা ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে প্রচারণা। সঙ্গে লেনদেনও চলছে অত্যন্ত কৌশলে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনষ্ঠানিক প্রচারণা শেষ হয়েছে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টায়। টানা প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে মাইকিং, মিছল, সভা-সমাবেশের পর এখন নিরপ শহর বন্দর গ্রাম। ভোটের বাকী মাত্র কয়েক ঘন্টা।
এসময়টাতে এসে বসে নেই কোনো প্রার্থী বা তাদের কর্মী বা সমর্থকরা। বরাবর যেমন হয়, হচ্ছে এবারও। রাজনৈতিক দল বা জোটগুলো বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষে এখন চলছে ভোটারদের ঘরে ঘরে ঢুঁ মারা। শেষ সময়ে এসে প্রার্থীদের পক্ষে সবার ঘরে যাওয়া সম্ভব না হলেও যাচ্ছেন তাদের বিশ্বস্ত প্রতিনিধিরা। তারা অনুনয় বিনয় করে নিজেদের পক্ষে শেষবারের মতো ভোট চাইছেন।
বাংলাদেশের যেকোনো নির্বাচনে এ সময়টাতে এসে যেমন হয়, প্রার্থীদের পক্ষে ভোট কেনার একটা প্রবণতা থাকে। এবারও তাই হচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে তার কোনো প্রমাণ রাখা হচ্ছেনা। সুকৌশলে ব্যক্তিগতভাবে প্রার্থীদের পক্ষে টাকা ছড়ানো হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায়।
অবশ্য টাকার খেলার অভিযোগ অনেক আগে থেকেই উঠেছে। সিলেট-১ আসনের বিএনপি এবং জামায়াত প্রার্থীরা প্রকাশ্যে পরস্পরের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলেছেন।
সিলেট-৫ আসনে এই প্রবণতা কম হলেও একজন প্রার্থীর পক্ষে লাখ লাখ টাকা ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন প্রতিপক্ষের লোকজন।
কানাইঘাট উপজেলার আশিক মিয়া নামের একজন ভোটার স্বতন্ত্র একজন প্রার্থীর প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, লাখ লাখ টাকা ছেড়ে ভোট কিনছে।
সিলেটের প্রায় সব আসনেই খুব গোপনে সুকৌশলে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগ তুলছেন বিভিন্ন প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 987 বার