
স্টাফ রিপোর্টার:
ইরানজুড়ে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে অতর্কিত হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। এদিকে এরইমধ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় মিডিয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া গতকাল ইসরায়েল দাবি করে, ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ও আইআরজিসি’র প্রধানও তাদের হামলায় নিহত হয়েছে। বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌথ হামলায় ইরানে অন্তত ৪০ জন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।এদিকে খামেনির নিহতের পর দেশটির দায়িত্ব কে নিতে যাচ্ছেন সেসব নিয়ে কিছু বলা হয়নি। ইরানে সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে কে থাকবেন তা নির্ধারণ করেন দেশটির বিশেষজ্ঞমণ্ডলী বা অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস নামে ৮৮ জন ধর্মীয় নেতার একটি পরিষদ। ইরানের ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর খামেনিই দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে আসীন দ্বিতীয় ব্যক্তি।
এই মণ্ডলীর সদস্যদের নির্বাচন করা হয় প্রতি আট বছর অন্তর। কিন্তু কারা গোষ্ঠীর সদস্য পদের জন্য প্রার্থী হতে পারবেন তা নির্ভর করে দেশটির গার্ডিয়ান কাউন্সিল নামে একটি কমিটির অনুমোদনের ওপর। আর এই গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্যদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্বাচন করেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা।
তবে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অবিরাম হামলায় দেশটির হাল কে ধরবেন তা নিয়ে এখন ধোঁয়াশা শুরু হয়েছে।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 987 বার