Daily Jalalabadi

  সিলেট     সোমবার, ২রা মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৭ই ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চার মাস আগে শেষবারের মতো মৌলভীবাজার এসেছিলেন সালেহ

admin

প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬ | ১২:৫২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০২ মার্চ ২০২৬ | ১২:৫২ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
চার মাস আগে শেষবারের মতো মৌলভীবাজার এসেছিলেন সালেহ

স্টাফ রিপোর্টার:

৩৫ বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে থাকেন মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সালেহ আহমদ। দেশে এই নামেই তিনি পরিচিত। তবে প্রবাসে তাঁর নাম আহমদ আলী। গত বছর শেষবার দেশে এসেছিলেন। চার মাস আগে আবার দুবাইয়ে ফিরে যান। তাঁর আর কখনোই জীবিত অবস্থায় দেশে ফেরা হবে না।

গত শনিবার রাতে দুবাইয়ের আজমান শহরে ইরানের বোমা হামলার ঘটনায় সালেহ আহমদ মারা গেছেন।

সালেহ আহমদের বাড়ি বড়লেখার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামে। তাঁর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ইফতারের পর কোনো এক সময় ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র তাঁর গাড়িতে আঘাত করলে তিনি মারা যান। তিনি দুবাইয়ের আজমান শহরে পানির ট্যাংকার চালাতেন। হামলার সময় তিনি পানি সরবরাহের জন্য গাড়ি নিয়ে পথে বের হয়েছিলেন। ওই শহরে তাঁর ছোট দুই ভাই জাকির হোসেন ও বোরহান আহমদও থাকেন। তাঁরাই সালেহ আহমদের মৃত্যুর খবর পরিবারকে জানিয়েছেন।

সালেহর ছোট ভাই জাকির হোসেনের স্ত্রী শেলি বেগম গতকাল রোববার রাতে বলেন, গত বছর তাঁর ভাশুর দেশে এসেছিলেন। প্রায় চার মাস আগে দুবাই ফিরে যান। ২৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) সবশেষ দেশে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। পরের দিন শনিবার রাতে তাঁরা তাঁর মৃত্যুসংবাদ পান।

সালেহ আহমদের স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে আছেন। তাঁরা সবাই দেশে থাকেন।

শেলি বেগম বলেন, শনিবার রাত ১০টার দিকে প্রথম তাঁরা খবর পান যে সালেহ আহমদ বোমা হামলায় মারা গেছেন। কিন্তু পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। আজমান শহরে থাকা সালেহর দুই ভাই সেখানকার হাসপাতালে যান। তবে তাঁরা ভাইকে দেখার সুযোগ পাননি।

দুই ভাই পরিবারের সদস্যদের জানান, গাড়িতে বোমা হামলার পরপরই দুবাইয়ের সেনাবাহিনীর সদস্যরা সালেহকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তাঁরা কফিলের (দুবাইয়ে স্থানীয় চাকরিদাতা) মাধ্যমে সালেহ আহমদের মৃত্যুর বিষয় সম্পর্কে নিশ্চিত হন। তাঁর লাশ হাসপাতালে রাখা আছে।

শেলি বেগম বলেন , ঘটনার আগে সালেহ আহমদ ভাইদের মুঠোফোনে ভয়েস রেকর্ড পাঠিয়ে বলেছিলেন, রাত ১০টার দিকে তাদের সঙ্গে আলাপ করবেন। কিন্তু তার আগেই বোমা হামলায় তিনি মারা যান।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান বলেন, পুলিশ সালেহ আহমদের বাড়িতে গিয়েছিল। পরিবারের সূত্রে মৃত্যুর বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে।

 

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 999 বার

শেয়ার করুন