এই পরিস্থিতিতে ঈদ উপলক্ষ্যে শপিং মল ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা আবশ্যক । মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির মূল উৎপাটনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করাও জরুরি । যাহারা পুলিশের অস্ত্র ছিনতাই করিবার স্পর্ধা দেখায়, তাহাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করিতে পারিলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কেবল কাগজে কলমেই সীমাবদ্ধ থাকিবে । তাহাদের কঠোর হস্তে দমন করিতে হইবে যাহাতে তাহারা জনগণের ঘুম হারাম করিয়া ঈদের আনন্দ মাটি করিয়া দিতে না পারে ।
উল্লেখ্য, এই বার পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে শুধু রাজধানী হইতে দেড় কোটির মতো মানুষ গ্রামে যাইতেছেন । নাড়ির টানে গ্রামে ফিরিয়া যাওয়া এই সকল ঘরমুখী মানুষকে টার্গেট করিয়া থাকে অপরাধী চক্র । তাহারা পথেঘাটে মানুষের সর্বস্ব লুট বা ছিনতাই করিয়া লইতে ওত পাতিয়া থাকে । অবশ্য এই বার পুলিশ প্রশাসন কর্তৃক পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশের সকল বাস টার্মিনাল ও মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ করা ও সড়কপথে চুরি-ছিনতাই, পকেটমার, মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্য রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইয়াছে বলিয়া দাবি করা হইতেছে । ছুটির সময় শহরে-নগরে ডাকাতি রোধেও লওয়া হইতেছে বিশেষ ব্যবস্থা। পুলিশ বাহিনীর এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের পরও খোদ পুলিশের অস্ত্র ছিনতাই হয় কীভাবে? আমরা মনে করি, পুলিশের বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে এই মৌসুমি অপরাধীদের নির্মূল করা মোটেও অসম্ভব নহে ।