
ডিজিটাল ডেস্ক :
মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ ওমানের ‘নন-ইমার্জেন্সি’ কর্মীদের দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের জেরে সৃষ্ট নিরাপত্তা সংকটের কারণেই দেওয়া হয়েছে এ নির্দেশ।
দূতাবাসের কর্মীদের ফিরে আসার নির্দেশের পাশাপাশি ওমানে যেতে ইচ্ছুক মার্কিন নাগরিকদের উদ্দেশে সতর্কাবার্তাও জারি করা হয়েছে।
শুক্রবারের বিবৃতিতে; বলা হয়েছে, ‘সশস্ত্র সংঘাত এবং সন্ত্রাসবাদের কারণে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় যেসব মার্কিন নাগরিক ওমান কিংবা মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশ ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক— তাদের নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ওমানের দূতাবাস-সহ মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশের মার্কিন দূতাবাসে ইতোমধ্যে জারি করা হয়েছে ‘লেভেল ৪’ সতর্কতা।
উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিন ধরে সংলাপ চলে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে। ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই শেষ হয় সেই সংলাপ।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।
হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের ৬ দেশ সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্তর আরব আমিরাত, ওমানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরান, যা এখনও চলছে।
বৃহস্পতিবার ইরান থেকে আসা দু’টি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে ওমানে ২ জন নিহত হন। তার পরেই দূতাবাসকর্মীদের ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1K বার