
নিউজ ডেস্ক:
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাঠপর্যায়ে সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মকর্তা, যিনি একটি উপজেলার সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন। নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ইউএনও (বর্তমানে ওএসডি) মো. আলাউদ্দিনের একাধিক অশ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সুনামগঞ্জসহ দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে জানা গেছে তিনি নারীদের নিয়ে পর্ণ ভিডিও বানাতেন।
সাগরপাড়ের দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার এই ঘটনার প্রভাব মেঘালয় পাহাড়ঘেঁষা হাওরাঞ্চল সুনামগঞ্জেও পৌঁছেছে। কারণ, মো. আলাউদ্দিন এর আগে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর ও শাল্লা উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তবে হাতিয়ার ইউএনও মো. আলাউদ্দিন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলোকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলে দাবি করেছেন। তিনি নোয়াখালীর স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, পূর্বের কর্মস্থলের কিছু বিরোধের জেরে কেউ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে নিয়ে ভুয়া ভিডিও তৈরি করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিষয়টি প্রতিহত করতে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছেন।
এদিকে সুনামগঞ্জে তার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। দেশব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার মুখে মঙ্গলবার রাতেই তাকে ওএসডি করা হয়েছে।
তথ্যমতে, ইউএনও মো. আলাউদ্দিনকে ঘিরে একাধিক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেগুলোর দৈর্ঘ্য ৯ থেকে ১৮ মিনিট পর্যন্ত। এসব ভিডিও ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেকের মতে, তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। যদিও এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই সাপেক্ষ।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 986 বার