
স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেটের বিশ্বনাথে পৌর শহরের নতুন বাজারস্থ আছকির আলীর কলোনীর পেছনে থাকা ডুবাতে মিললো ফারজানা খাতুন (৫) নামের এক শিশুর মরদেহ।
সে সুনামগঞ্জে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ভাতেরটেক গ্রামের রুবেল মিয়ার কন্যা। তবে দীর্ঘদিন ধরে ফারজানার পিতা রুবেল মিয়া স্ব-পরিবারে আছকির আলীর কলোনীতে বসবাস করে আসছেন।শিশু ফারজানার পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালের দিকে কোন এক সময় শিশু ফারজানা পরিবারের সদস্যদের অগোচরে নিজেদের বসবাসরত কলোনীর পেছনে থাকা ডুবার পানিতে পড়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ পরিবারের সদস্যরা শিশু ফারজানাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এমন সময় ডুবার পানিতে ফারজানার নিতর দেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয় একজন তার পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি অবহিত করেন। সাথে সাথে ডুবা থেকে ফারজানার নিতর তুলে আনলেও ততক্ষণে অনেক দেরী হয়ে গেছে।
ডুবা থেকে শিশু ফারজানা খাতুনের নিতর দেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শিশুর পিতা রুবেল মিয়া।
তবে ফারজানা ওই ডুবারে পানিতে ডুবে মারা গেছে নাকি কেউ কোন কারণে তাকে হত্যা করে দেহটিকে ডুবাতে পেলে দিয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য থানা পুলিশ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
আছকির আলীর ডুবার পানিতে থেকে শিশু ফারজানা খাতুনের মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার এসআই স্বপন কুমার, খবর পেয়ে থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ফারজানার নিতর দেহ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1K বার