Daily Jalalabadi

  সিলেট     শনিবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২১শে চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘ডেভিল’ আখ্যা দিয়ে চেয়ারম্যানকে পুলিশে সোপর্দ, ‘সমন্বয়ক’ অবরুদ্ধ

admin

প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
‘ডেভিল’ আখ্যা দিয়ে চেয়ারম্যানকে পুলিশে সোপর্দ, ‘সমন্বয়ক’ অবরুদ্ধ

স্টাফ রিপোর্টার:

সিলেটের জকিগঞ্জে এক চেয়ারম্যানকে ‘ডেভিল’ আখ্যা দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক পরিচয় দেওয়া জাফর আহমদকে উপজেলা পরিষদ ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

বৃহস্পতিবার আটক চেয়ারম্যানকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

জকিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক জানান, গত বুধবার সন্ধ্যায় জাফর আহমদসহ কয়েকজন তরুণ মানিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুস শহীদকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তবে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই এবং তিনি কোনো মামলার এজাহারভুক্ত আসামিও নন। প্রাথমিক তদন্তে কিছু পাওয়া যায়নি এবং নতুন কোনো অভিযোগও দায়ের হয়নি, তবে যেহেতু তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে- সেই কারণে বৃহস্পতিবার সকালে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারায় তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার বিকালে ইউএনও কার্যালয়ে জরুরি সভা শেষে জাফর আহমদ আবদুস শহীদকে আওয়ামী লীগের নেতা ও ‘ডেভিল’ দাবি করে তাকে আটক করেন। জাফর আহমদ জুলাইয়ের আন্দোলনে জকিগঞ্জে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলার বাদী হলেও ওই মামলায় আবদুস শহীদের নাম নেই। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে মানিকপুর ইউনিয়নের বাসিন্দারা উপজেলা পরিষদে জড়ো হয়ে জাফর আহমদসহ কয়েকজনকে অবরুদ্ধ করেন এবং এ সময় বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের দফায় দফায় বৈঠক হয়। বৈঠক চলাকালে জাফর আহমদ ইউএনওর সামনে আবদুস শহীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যপ্রমাণ থাকার দাবি করেন।

তবে উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি আবিদুর রহমান বলেন, আবদুস শহীদ কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। তিনি আওয়ামী লীগের কোনো স্তরের নেতাও নন। জকিগঞ্জ থানার কোনো মামলার আসামিও নন। ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে দলীয় ট্যাগ দিয়ে মব সৃষ্টি করে কাউকে ধরিয়ে দেওয়া ন্যক্কারজনক।

ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, ইউএনওর সামনেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও হাতাহাতি চলছে। একপর্যায়ে জাফর আহমদ নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলে পুলিশ তাকে নিরাপদে উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে সরিয়ে নেয়।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1K বার

শেয়ার করুন