Daily Jalalabadi

  সিলেট     মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১০ই ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আর বাজার নিয়ন্ত্রিত হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

admin

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬ | ১২:১২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১১ এপ্রিল ২০২৬ | ১২:১২ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আর বাজার নিয়ন্ত্রিত হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আর বাজার নিয়ন্ত্রিত হবে না। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রিত হয়, এমন কথাই আমরা বাংলাদেশ থেকে মুছে দিব।

শনিবার সকালে নগরের টিলাগড়ে জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে দেশের প্রথম সরাসরি কৃষকদের বিকয় কেন্দ্র ‘কৃষকের হাট’ উদ্বোধনকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সিন্ডিকেটপ্রথা ভাঙতেই কৃষকরা এই হাটে নিজেদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বিক্রি করবেন বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

হাটের উদ্বোধনকালে মন্ত্রী আরও বলেন, আমদানিনির্ভর পণ্য স্থিতিশীল রাখতে দেশের পুরো সাপ্লাই চেন এআই মডেলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এতে বাজার নজরদারি সহজ হবে এবং বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে।

দেশে টিসিবির কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো হবে জানিয় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রতিবছর টিসিবির কাজের জন্য ৩২-৩৩শ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়, এটা কমানো হবে। তবে টিসিবির কার্যক্রম বাড়ানো হবে।

সারা দেশে কৃষক যাতে তার উৎপাদিত পণ্য সপ্তাহে একদিন হলেও সরাসরি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে পারেন সে বিষয়ে প্রত্যেক জেলায় জেলা প্রশাসকরা ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

সিলেট জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কৃষি পণ্যের বাজারে সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে ব্যতিক্রমী এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিদিন সকালে টিলাগড় পয়েন্টের নির্ধারিত স্থানে এই বাজারের কার্যক্রম চলবে। এখানে সিলেটের প্রান্তিক কৃষকরা কোনো ধরনের মধ্যস্থতাকারী বা দালালের সহায়তা ছাড়াই তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করার সুযোগ পাবেন। বাজারটির মূল লক্ষ্য হলো মাঠপর্যায়ের কৃষক এবং শহরের সাধারণ ভোক্তার মধ্যে একটি সরাসরি সেতুবন্ধন তৈরি করা।

বর্তমানে একটি কৃষিপণ্য মাঠ থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে অন্তত চার থেকে পাঁচবার হাতবদল হয়। এতে প্রতিটি স্তরে দাম বাড়লেও তার সুফল কৃষকরা পান না; বরং চাষের খরচ তোলা নিয়ে তাদের চরম ঝুঁকিতে থাকতে হয়। অন্যদিকে, সাধারণ ক্রেতাদের গুনতে হয় চড়া দাম।

এই ‘কৃষকের হাট’ চালু হলে ন্যায্য মূল্য কৃষক তার শ্রমের সঠিক দাম সরাসরি পাবেন। সাশ্রয়ী দামে বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে সতেজ ও বিষমুক্ত সবজি পাবেন সাধারণ ক্রেতারা। সিন্ডিকেট নির্মূলে মধ্যস্বত্বভোগীদের অতিরিক্ত মুনাফাখোরি প্রবণতা হ্রাস পাবে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1.1K বার

শেয়ার করুন