নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেট বিভাগে এ বছরের মৌসুমে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৩ হাজার ৬৯৪ মেট্রিক টন, যা ২০২৫ সালের ৩২ হাজার ৪৬৩ মেট্রিক টনের তুলনায় প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন বেশি| একইভাবে চাল সংগ্রহেও বড় ধরনের বৃদ্ধি এসেছে। ২০২৫ সালে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫২ হাজার ১৫১ মেট্রিক টন, আর ২০২৬ সালে সিদ্ধ ও আতপ চাল মিলিয়ে লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ৩৫৪ মেট্রিক টন।বিভাগীয় ভ্রমণ গাইড
খাদ্য বিভাগের তথ্যমতে, ২০২৬ সালে সুনামগঞ্জে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা সর্বোচ্চ ২১ হাজার ৩৪৯ মেট্রিক টন, যা বিভাগের মোট লক্ষ্যের প্রায় অর্ধেক| অন্যদিকে হবিগঞ্জে ৮ হাজার ৯০ মেট্রিক টন, সিলেটে ৮ হাজার ২৫১ মেট্রিক টন এবং মৌলভীবাজারে ৬ হাজার ৪ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে| চাল সংগ্রহেও সুনামগঞ্জ জেলা শীর্ষে রয়েছে।
সিলেট আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক এস এম সাইফুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান এবং মিলারদের কাছ থেকে চাল সংগ্রহ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে| সঠিকভাবে সংগ্রহ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং বাজারেও স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংগ্রহমূল্যেও গত কয়েক বছরে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে, ২০২৪ সালে প্রতি কেজি ধানের মূল্য ছিল ৩২ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৫ টাকা এবং আতপ চাল ৪৪ টাকা| ২০২৫ সালে ধান ৩৬ টাকা ও সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকায় কেনা হয়| ২০২৬ সালেও একই দাম বহাল রাখা হয়েছে| ধান ৩৬ টাকা, সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা ও আতপ চাল ৪৮ টাকা।
সংগ্রহ কার্যক্রমের সময়সূচিতেও হাওর ও নন-হাওর অঞ্চলের জন্য পৃথক পরিকল্পনা রাখা হয়েছে|। হাওর এলাকায় চুক্তি সম্পাদন ৩ মে থেকে ১২ মে পর্যন্ত এবং সংগ্রহ ৩ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে| নন-হাওর এলাকায় চুক্তির সময় ১৫ মে থেকে ২৫ মে এবং সংগ্রহ ১৫ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
উপ-সম্পাদকঃ ফুজেল আহমদ
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার মেইন রোড বিয়ানীবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: dailyjalalabadi@gmail.com
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৭৩৮১১৬৫১২।