বিয়ানীবাজার সংবাদদাতা:
বিয়ানীবাজার পৌরশহরের খাসাড়িপাড়ায় নিহত সাদিকুল ইসলাম রুপক (২৭) নিহতের ঘটনায় এখনো মামলা দায়ের করা করা হয়নি। চাঞ্চল্যকর এই মৃত্যু নিয়ে শহরজুড়ে নানা কথা চলছে।
রোববার দুপুরে বিয়ানীবাজার পৌর এলাকার নিজ বসতঘরে পেছনে হাত বাধা অবস্থায় ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি আব্দুল মুক্তাদিরের ছেলে। মরদেহ উদ্ধারের সময় হাত দু’টি পিঠ মোড়া অবস্থায় বাধা ছিল। এ সময়কার প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক ব্যক্তি জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। রুপকের গলায় ফাস লাগানো থাকলেও জিহবাসহ পুরো শরীর স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল।
নিহতের মামাত ভাই বদরুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকালে রুপকের মা-বোন ও স্ত্রী প্রতিবেশী কোনাগ্রাম এলাকায় বেড়াতে যান। রাতে রুপকও সেখানে যাওয়ার কথা ছিলো। ফোন না ধরায় রবিবার তিনটার দিকে বাড়িতে আসেন তার মা-স্ত্রী ও বোন। তখন বসতঘরটি ভিতর থেকে তালাবদ্ধ ছিল। তবে দরজায় নাঁড়া দিলে চাবি তালা থেকে পড়ে যায়। একপর্যায়ে তারা বসতঘরে প্রবেশ করলে ঝুলন্ত অবস্থায় রুপককে দেখে স্বজনদের খবর দেন। স্বজনদের দাবী, নিশ্চয় কেউ তাকে খুন করে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে।
নিহতের ভগ্নিপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, লাশ দাফন নিয়ে ব্যস্ত থাকায় থানায় অভিযোগ দায়ের করতে পারিনি। তবে রাতে অভিযোগ করা হবে।
বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ওমর ফারুক জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড বলে মনে হচ্ছে। তদন্তে প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসবে।
এদিকে সোমবার বিকেলে খাসাড়িপাড়া জামে মসজিদে জানাযার নামাজ শেষে রুপকের মরদেহ দাফন করা হয়। এ সময় বিপুল সংখ্যক মুসল্লী উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
উপ-সম্পাদকঃ ফুজেল আহমদ
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার মেইন রোড বিয়ানীবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: dailyjalalabadi@gmail.com
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৭৩৮১১৬৫১২।