Daily Jalalabadi

  সিলেট     শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৭শে আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহজালাল (রহ.) মাজারে পাওয়া গেল ৫ বস্তা টাকা

admin

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬ | ০২:৫২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬ | ০২:৫২ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
শাহজালাল (রহ.) মাজারে পাওয়া গেল ৫ বস্তা টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে জেলা প্রশাসনের সিলগালা করা ঐতিহাসিক ডেগ ও মাজারের দানবাক্স খোলা হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে মাজারের তিনটি ডেগ ও ছোট-বড় ৫টি দানবাক্স খোলা হয়। পরে ডেগ ও দানবাক্স থেকে ৫ বস্তা টাকা সংগ্রহ করার পর পরই শুরু হয় গণনা। টাকা গণনা কাজে সহযোগীতা করছেন দরগাহ মাদরাসার অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী।

টাকা গণনায় উপস্থিত রয়েছেন মাজারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন–সংক্রান্ত কমিটির নেতৃবৃন্দ।

এর আগে গত ২২ জুন প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মাজারের দানবাক্স ও ঐতিহাসিক দানের ডেগে জমা হওয়া টাকা গণনা করা হয়। তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগে মাজারের দানবাক্সে তালা দিয়ে চারদিন পর টাকা গণনা করা হয়েছিল। চারদিনে দানবাক্সে পাওয়া গিয়েছল ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। পরে অর্থগুলো সোনালী ব্যাংকে খোলা একটি নতুন হিসাবে জমা রাখা হয়।

সিলেট উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান ও মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটির সদস্য রেজাউল হাসান কয়েস লোদি বলেন, আমরা সিদ্ধান্তের কোন পরিবর্তন করিনি। যে সিদ্ধান্তটি প্রথম দিনেই নেয়া হয়েছিল সেই সিদ্ধান্তের আলোকেই আজকের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এটি এভাবে চলতে পারে না। এটি আসলে আমরাও চাচ্ছি না। এটি কারো জন্যই কাম্য না। এই বিষয়গুলোর প্রতি অনেকেরই উৎসাহ আছে।

তিনি বলেন, আমরা আশা করছি যে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই আমরা এই দরগা এবং মসজিদ মাদরাসাকেন্দ্রিক বিষয়গুলো নিয়ে পরিকল্পনার কথা দেশবাসীকে জানিয়ে দিতে পারবো। এটার সুষম বন্টন হয় কিনা তা অনেকেই জানতে চাচ্ছেন। এই দাবি গণদাবিতে পরিণত হয়েছে। আমরা চেষ্টা করব সকলের সাথে কথা বলে মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটা চমৎকার সমাধান এবং রূপরেখা তৈরি করতে।

জানা গেছে, দেশ-বিদেশের ধর্মপ্রাণ ভক্ত, অনুরাগীরা প্রতিদিনই হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করতে আসেন। তবে বৃহস্পতিবার, শুক্রবার, শনিবারসহ ছুটির দিনগুলোতে প্রচুরসংখ্যক মানুষ এখানে আসেন। এ সময় তারা টাকাসহ নানা সম্পদ মাজারে দান করেন। তবে মাজারের ৭০০ বছরের ইতিহাসে কখনোই দানের হিসাব প্রকাশ্যে গণনা করা হয়নি।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 992 বার

শেয়ার করুন