রাকিবুল হাসান তামিম:
দেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবস্থায় দীর্ঘদিনের আলোচিত ‘অ্যাকটিভ শেয়ারিং’ চালুর লক্ষ্যে গাইডলাইন প্রণয়নের কাজ চলছে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) জানিয়েছে, এসংক্রান্ত প্রাথমিক খসড়া প্রস্তুত হয়েছে। অংশীজনদের মতামত পর্যালোচনার পর গাইডলাইন চূড়ান্ত হবে। এরপর পরীক্ষামূলক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে এ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আর অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে একই অবকাঠামো ব্যবহার করে একাধিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি) গ্রাহকদের ব্রডব্যান্ড সেবা দিতে পারবে। ফলে একই এলাকায় আলাদাভাবে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রয়োজন কমবে। এতে অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয় কমার পাশাপাশি শহরের দীর্ঘদিনের তারের জট কমবে এবং ছোট ও মাঝারি আইএসপিগুলোও তুলনামূলক কম খরচে সেবা সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
টেলিযোগাযোগ খাতসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ধানমন্ডিকে দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অ্যাকটিভ শেয়ারিং জোন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে কয়েক বছর ধরে সীমিত পরিসরে পরিচালিত কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ফল ইতিবাচক হলে রাজধানীর অন্যান্য এলাকা এবং পরে পর্যায়ক্রমে দেশের বড় শহরগুলোতে এ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বর্তমানে দেশের শহরাঞ্চলে একই এলাকায় একাধিক আইএসপি আলাদাভাবে ফাইবার অপটিক কেবল, সুইচ, ডিস্ট্রিবিউশন বক্স ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থাপন করে। ফলে একই সড়ক কিংবা ভবনে বারবার অবকাঠামো নির্মাণ করতে হয়। এতে পথ চলতে জনগণের ভোগান্তির পাশাপাশি একদিকে ব্যয় বাড়ছে, অন্যদিকে বিদ্যুতের খুঁটি ও ভবনের দেয়ালজুড়ে তৈরি হচ্ছে জটিল তারের নেটওয়ার্ক, যা নগর ব্যবস্থাপনার জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতেই অ্যাকটিভ শেয়ারিং মডেল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় একটি অবকাঠামো ব্যবহার করেই একাধিক আইএসপি নিজস্ব ব্র্যান্ড, প্যাকেজ ও গ্রাহকসেবার মাধ্যমে প্রতিযোগিতা করবে। ফলে প্রতিযোগিতার কেন্দ্র হবে সেবার মান ও মূল্য, অবকাঠামো নির্মাণ নয়।
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) প্রতিনিধিরা বলেন, দেশের বিভিন্ন অপারেটর পৃথকভাবে অবকাঠামো নির্মাণ করায় সম্পদের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে তা আরও সাশ্রয়ী ও টেকসই অবকাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। একইসঙ্গে যেখানে ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছানো সম্ভব নয়, সেখানে নন-জিওস্টেশনারি (NGSO) স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সংযোগ নিশ্চিত করার সুযোগও বাড়বে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিশ্বের অনেক দেশেই যৌথ অবকাঠামো ব্যবহারের এ মডেল কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। এতে অপ্রয়োজনীয় বিনিয়োগ কমেছে, নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা সহজ হয়েছে এবং সেবার মানও বেড়েছে। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে এ ব্যবস্থা চালু হলে ব্রডব্যান্ড খাতে দীর্ঘদিনের বেশ কয়েকটি কাঠামোগত সমস্যার সমাধান হতে পারে।
বর্তমানে রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে একই এলাকায় নতুন গ্রাহক সংযোগ দিতে গেলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে নতুন করে ফাইবার অপটিক কেবল বসাতে হয়। এতে অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালন ব্যয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি আইএসপিগুলোর জন্য এ ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে এসব প্রতিষ্ঠান যৌথ অবকাঠামো ব্যবহার করে কম খরচে সেবা দিতে পারবে। এতে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য বাজারে প্রবেশ সহজ হবে এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোও অবকাঠামো নির্মাণের পরিবর্তে সেবার মান উন্নয়ন ও গ্রাহকসেবায় বেশি গুরুত্ব দিতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একইসঙ্গে এ ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হবেন সাধারণ গ্রাহকরা। বর্তমানে অনেক এলাকায় একটি বা দুটি আইএসপির আধিপত্য থাকায় গ্রাহকের সামনে বিকল্প সীমিত। এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে যেতে অনেক ক্ষেত্রেই নতুন করে সংযোগ স্থাপন ও কেবল টানার প্রয়োজন হয়। অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে একই অবকাঠামো ব্যবহার করেই সহজে সেবাদাতা পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হবে। এতে মূল্য ও সেবার মান—দুই ক্ষেত্রেই প্রতিযোগিতা বাড়বে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, যৌথ অবকাঠামো পেশাদারভাবে পরিচালিত হলে নেটওয়ার্কের স্থিতিশীলতাও বাড়বে। কোনো অপারেটরের সেবা বিঘ্নিত হলেও বিকল্প ব্যবস্থায় দ্রুত সংযোগ পুনরুদ্ধারের সুযোগ থাকবে। ফলে গ্রাহকের ভোগান্তি কমবে এবং নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করা সহজ হবে।
বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০ লাখ পরিবার ব্রডব্যান্ড সংযোগ ব্যবহার করছে। কিন্তু বিদ্যমান অবকাঠামো দিয়েই আরও প্রায় ১ কোটি ৬০ থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ পরিবারকে সংযুক্ত করা সম্ভব। অথচ অ্যাকটিভ শেয়ারিং নীতিমালা না থাকায় বিপুল পরিমাণ নেটওয়ার্ক অব্যবহৃত পড়ে আছে।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া বলেন, বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু রয়েছে। বাংলাদেশেও দীর্ঘদিন ধরে এটি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছে আইএসপি খাত।
তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছি, পৃথিবীর কোথাও অ্যাকটিভ শেয়ারিং বন্ধ নেই। বাংলাদেশেও এটি চালু না করার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। এত বছর পর হলেও বিষয়টি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি, বিটিআরসি দ্রুত গাইডলাইন চূড়ান্ত করবে।
তিনি বলেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে একই এলাকায় বারবার নতুন কেবল টানার প্রয়োজন হবে না। এতে তারের জট কমবে, অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয় হ্রাস পাবে এবং গ্রাহক আরও মানসম্মত ইন্টারনেট সেবা পাবেন।
এ উদ্যোগে কোনো আইএসপি বিরোধিতা করছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে নাজমুল করিম ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশের কোনো আইএসপি অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের বিরোধিতা করছে না। এটি পুরো খাতের জন্যই ইতিবাচক একটি উদ্যোগ। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই এ মডেল রয়েছে। বাংলাদেশেও এটি চালুর এখনই উপযুক্ত সময়।
নাজমুল করিমের দাবি, রাজধানীর ধানমন্ডিতে কয়েক বছর ধরে অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের একটি মডেল কার্যকর রয়েছে এবং সেখানে ইতিবাচক অভিজ্ঞতা পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, ধানমন্ডিতে যেকোনো আইএসপি একই অবকাঠামো ব্যবহার করে গ্রাহকদের সেবা দিতে পারছে। প্রায় চার বছর ধরে এই ব্যবস্থা চালু রয়েছে। বর্তমানে প্রায় আট হাজার সংযোগ এ ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে এবং উল্লেখযোগ্য কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
বিষয়টি নিয়ে আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার বিস্তারে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য হলেও নীতিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেই সক্ষমতার পুরোটা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০ লাখ পরিবার ব্রডব্যান্ড সংযোগ ব্যবহার করছে। কিন্তু বিদ্যমান অবকাঠামো দিয়েই আরও প্রায় ১ কোটি ৬০ থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ পরিবারকে সংযুক্ত করা সম্ভব। অথচ অ্যাকটিভ শেয়ারিং নীতিমালা না থাকায় বিপুল পরিমাণ নেটওয়ার্ক অব্যবহৃত পড়ে আছে।
আমিনুল হাকিমের মতে, দেশে বর্তমানে আইএসপি খাতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। কিন্তু সেই অবকাঠামোর মাত্র ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ ব্যবহার হচ্ছে। একই এলাকায় একাধিক প্রতিষ্ঠান আলাদাভাবে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলায় বিনিয়োগের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হবে, খরচ কমবে এবং দ্রুত ব্রডব্যান্ড সেবা সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।
এদিকে, অ্যাকটিভ শেয়ারিং সারা দেশে চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় গাইডলাইন প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, অংশীজনদের মতামত ও বাস্তব অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর গাইডলাইন চূড়ান্ত করা হবে।
বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ড. মো. সোহেল রানা বলেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং গাইডলাইন বর্তমানে প্রণয়নের পর্যায়ে রয়েছে। এখনো এটি চূড়ান্ত হয়নি। প্রয়োজনীয় কাজ এগিয়ে চলছে।
বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী বলেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের প্রাথমিক গাইডলাইনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন আমরা বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করছি। সব অংশীজনের মতামত বিবেচনায় নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মোবাইল ফোন অপারেটরদেরও ভবিষ্যতে এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সব বিষয় নিয়েই আমরা আলোচনা করছি। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে, চলতি বছরের এপ্রিলে অ্যাকটিভ শেয়ারিং নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। বিষয়টি বাস্তবায়নে নীতিগতভাবে এগোনোর সিদ্ধান্তের পর গত ৩০ এপ্রিল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে ‘টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো শেয়ারিং’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোবাইল অপারেটর, এনটিটিএন, টাওয়ার কোম্পানি, ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (আইএসপি), আইএসপিএবি, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল), বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞসহ প্রায় ১৩০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।
কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা বলেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে একই অবকাঠামো ব্যবহার করে একাধিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সেবা দিতে পারবে। এতে অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয় কমবে, ঝুলন্ত ফাইবার অপটিক তারের জট হ্রাস পাবে, দ্রুত নতুন এলাকায় সেবা সম্প্রসারণ সম্ভব হবে এবং গ্রাহকসেবার মানও উন্নত হবে।
টাওয়ার কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, শেয়ারড টেলিকম অবকাঠামো স্বল্প ব্যয়ে কানেক্টিভিটি সম্প্রসারণ, ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি এবং টেলিযোগাযোগ খাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। একই অবকাঠামোয় একাধিক ধরনের সেবা পরিচালনার সুযোগও তৈরি হয়।
এনটিটিএন অপারেটরদের প্রতিনিধিরা বলেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং মূলধনি ব্যয় কমাতে এবং সেবা সম্প্রসারণে সহায়ক হলেও বহুস্তরীয় লাইসেন্সিং কাঠামোয় এটি বাস্তবায়নে ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা প্রয়োজন। অন্যদিকে মোবাইল অপারেটরদের প্রতিনিধিরা জানান, প্যাসিভ শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে ইতোমধ্যে পরিচালন ব্যয় কমানো সম্ভব হয়েছে। ফাইভ-জি সেবা বিস্তারে অ্যাকটিভ শেয়ারিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা মত দেন।
বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) প্রতিনিধিরা বলেন, দেশের বিভিন্ন অপারেটর পৃথকভাবে অবকাঠামো নির্মাণ করায় সম্পদের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে তা আরও সাশ্রয়ী ও টেকসই অবকাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে যেখানে ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছানো সম্ভব নয়, সেখানে নন-জিওস্টেশনারি (NGSO) স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সংযোগ নিশ্চিত করার সুযোগও বাড়বে।
এছাড়া একই অবকাঠামো একাধিক আইএসপি ব্যবহার করতে পারলে ইন্টারনেট সেবার উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং শহরের ঝুলন্ত তারের জট কমিয়ে আরও সুশৃঙ্খল ব্রডব্যান্ড অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে মত দেন আইএসপিএবির প্রতিনিধিরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
উপ-সম্পাদকঃ ফুজেল আহমদ
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার মেইন রোড বিয়ানীবাজার, সিলেট।
ই-মেইল: dailyjalalabadi@gmail.com
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৭৩৮১১৬৫১২।