Daily Jalalabadi

  সিলেট     মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৮ই বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেকোনো মুহূর্তে ফের যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা ইরানের, ইসরায়েলে সর্বোচ্চ সতর্কতা

admin

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১২:৫৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১২:৫৫ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
যেকোনো মুহূর্তে ফের যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা ইরানের, ইসরায়েলে সর্বোচ্চ সতর্কতা

ডিজিটাল ডেস্ক :
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ আবারও তুঙ্গে উঠেছে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটনকে তেহরান বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করে না এবং যেকোনো মুহূর্তে আবারও লড়াই শুরু হতে পারে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের চলমান সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যেই এমন কঠোর মন্তব্য সামনে এলো।

ইরানের এই সতর্কবার্তার পরপরই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ পেয়েছে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও সামরিক ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাব্য সমাপ্তি এবং আকস্মিক হামলার আশঙ্কায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে ‘হাই অ্যালার্ট’ বা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্ত ও কৌশলগত অবস্থানগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এমন যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতির মধ্যেই অভ্যন্তরীণ চাপে পড়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার সরকারের পদত্যাগ এবং অবিলম্বে তদন্তের দাবিতে শনিবার রাতে তেল আবিবে কয়েক হাজার মানুষ বিশাল বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নেতানিয়াহু নিজের স্বার্থ রক্ষায় দেশকে এক অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। রাফায়েল পিনাইনা নামে এক বিক্ষোভকারী মন্তব্য করেন যে, প্রধানমন্ত্রী ভেতর থেকে ইসরায়েলি সমাজকে ধ্বংস করছেন এবং পশ্চিমা বিশ্বের সাথে দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করছেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ নাগরিক ও সমাজকর্মীরা গত ৭ অক্টোবর এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। তারা মনে করেন, জনগণের সত্য জানার অধিকার আছে। লি হফম্যান-আজিভ নামে এক সমাজকর্মী জানান, তিনি সেইসব শোকাতুর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন, যারা প্রধানমন্ত্রীর শুরু করা এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে প্রিয়জন হারিয়েছেন।

বিক্ষোভকারীদের অনেকেই মনে করেন, লেবানন ও ইরানে যুদ্ধ শুরু করা ইসরায়েলের একটি বড় কৌশলগত ভুল ছিল। হাইম ট্রিভ্যাক্স নামে এক প্রতিবাদকারী সরাসরি অভিযোগ করেন যে, নেতানিয়াহু দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা চিন্তা না করে কেবল সম্ভাব্য কারাদণ্ড থেকে নিজেকে বাঁচাতেই যুদ্ধের এই পথ বেছে নিয়েছেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1K বার

শেয়ার করুন