Daily Jalalabadi

  সিলেট     মঙ্গলবার, ১৪ই এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১লা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ানীবাজারে বৈশাখ বরণের ‌প্রস্তুতি

admin

প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ০৫:৩৮ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ০৫:৩৮ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
বিয়ানীবাজারে বৈশাখ বরণের ‌প্রস্তুতি

স্টাফ রিপোর্টার:
বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখের আনন্দঘন আবহ কড়া নাড়ছে দুয়ারে। সর্বত্র উৎসবের রঙিন ছোঁয়া লাগলেও বিয়ানীবাজারে বৈশাখ বরনের বর্ণহীন প্রস্তুতি চলছে। বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে অন্যান্য এলাকায় নানা আয়োজনের প্রস্তুতি চললেও বিয়ানীবাজারে তার কিছুটা রেশ আছে।

আগামীকাল ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ, বাংলা নববর্ষে মেতে উঠবে সারাদেশ। তবে সেই উৎসবের আমেজে বিয়ানীবাজারে আবহ অনকটা কম। এ বছর নতুন নামকরন হওয়া ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ আয়োজনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গন কিংবা অন্যান্য প্রতিষ্টানে গিয়ে দেখা যায়, বাতাসে রঙের গন্ধ, হাতুড়ি-বাটালের ঠুকঠাক শব্দ আর শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত কোলাহল—কোন কিছুর দেখা নেই। শিল্পকলা একাডেমির অস্থায়ী কার্যালয় বন্ধ। তবে পৌরশহরের দু’য়েকটি বিদ্যালয়ে বর্ষবরণের প্রস্তুতি দেখা গেছে।

এদিকে উপজেলা প্রশাসন সূ্ত্র জানায়, সকাল ১১ টায় বৈশাখী শোভাযাত্রা, সাড়ে ১১টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে জাতীয় সংগীত ও বৈশাখী সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্টান, দুপুর ১২টায় বৈশাখী মেলার উদ্বোধন এবং সকল শিক্ষা প্রতিষ্টানে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নববর্ষ উদযাপন করার প্রস্তুতি নেয়া হবে।

সংস্কৃতি সংগঠক ও বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি সজীব ভট্রাচার্য বলেন, হারিয়ে যেতে বসা বাংলার ঐতিহ্যগুলো পহেলা বৈশাখের কার্যক্রমে তুলে ধরা হয়। সূতরাং প্রতিটি কাজের মধ্য দিয়েই তার ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ ঘটানো উচিত।

বৈশাখ বরনে উপজেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও একডেমিক সুপারভাইজার আরিফুল ইসলাম জানান, র্যালীতে আমাদের ঐতিহ্যের নিদর্শন ও গ্রামীণ জীবনের অনুভব, স্মৃতির বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর চেষ্টা চলছে।

সব মিলিয়ে, ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনে ও শৈল্পিক ছোঁয়ায় বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে প্রস্তুত বিয়ানীবাজারবাসী। যদিও উৎসব আয়োজনে অনেকটা জৌলুসহীন ভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে।

বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবিবা মজুমদার বলেন, পহেলা বৈশাখের উৎসবমুখর পরিবেশ বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐক্যকে আরও একবার জানান দেবে। নববর্ষের এই দিনটি যেন এক নতুন দিগন্তের সূচনা, যেখানে আমরা শুধু নতুন কিছু পাওয়ার স্বপ্ন দেখি না, বরং সেই পুরনো দিনের অশান্তি ও কষ্ট থেকে মুক্তির জন্য, একটি সুন্দর, সজীব এবং পবিত্র জীবনের দিকে অগ্রসর হতে চাই।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1K বার

শেয়ার করুন