
বিয়ানীবাজার সংবাদদাতা:
বিয়ানীবাজারে বর্তমানে জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা মাত্র ২৬৫জন। উপজেলায় মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৫৫১জন। আর যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা ৩৩জন, শহীদ ১১জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।
শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিয়ানীবাজার সমাজসেবা কর্মকর্তা অনুজ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বিজয় দিবস উপলক্ষে শুধু জীবিত মুক্তিযোদ্ধারাই দিবসটির জন্য ভাতা পেয়ে থাকেন। যা স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা করে থাকে। তিনি বলেন, গত এক বছরে উপজেলায় জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কমেছে প্রায় ২০ জন।
গত বছরের ১৮ মে গণবিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) জানিয়েছে, কাউন্সিলের ৭৯তম সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক, শুধুমাত্র নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা (বীরাঙ্গনা) ছাড়া অন্য কোনো ক্যাটাগরির মুক্তিযোদ্ধা গেজেটভুক্তির নতুন আবেদন করার সুযোগ নেই। তবে যেসব আবেদন এরই মধ্যে গৃহীত হয়েছে এবং যাচাই-বাছাই বা আপিল পর্যায়ে রয়েছে, সেসব আবেদন নিষ্পন্ন করার কাজ চলমান থাকবে।
স্থানীয় জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের অনেকের শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। অনেক বীর মুক্তিযোদ্ধা শয্যাসায়ী। তবে হাতেগোনা কয়েকজন প্রবাসে বসবাস করেন। বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল খালিক মায়ন, সাবেক ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান রুমা চক্রবর্তী মুক্তিযোদ্ধা তালিকার অন্তর্ভূক্ত। তবে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজম্মিল আলী মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে স্বীকৃত।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের নামে স্মৃতিফলক নির্মাণ করা হয়েছে। যদিও অনেক স্মুতিফলক অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে।
এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1.1K বার